৩ টা বিষয় সম্পর্কে একসাথে লেখা – কারণ এদের মাঝে মিল অনেক। মিলগুলো যেমন জানা জরুরি তেমনি কোন কোন জায়গায় অমিল সেটা তুলে ধরার চেষ্টা করা হবে।

বিশ্বের অন্যতম পুরনো ও র‍্যাঙ্কিং-এ প্রথমদিকের ইঞ্জিনিয়ারিং বিষয়ের নাম বললে চলে আসে EEE-এর কথা। সেই EEE এর থেকেই ECE-এর উৎপত্তি আর ETE হলো এর একটি অংশ।

ECE বিষয় নিয়ে আগে বলা যাক। এই বিষয়ের CORE COURSE হলো ELECTRONICS AND COMMUNICATION. ইলেকট্রনিক্স সম্পর্কে আমরা কম-বেশি সবাই জানি। সমস্যা হয় কমিউনিকেশন এর ব্যাপারটা মাথায় ঢুকে না। ECE-এর কোর্সে প্রথমদিকে ব্যাপকভাবে থাকে ELECTRONICS এর কোর্স। এক সময় COMMUNICATION এ প্রবেশ করানো হয়। ELECTRONICS এর জ্ঞান ছাড়া COMMUNICATION সম্ভব না।

একজন ছাত্র সাধারণত যে কোর্সগুলো পড়ে থাকেন [কোর্সগুলোর নাম-এ সামান্য ভিন্নতা থাকে পারে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে]-

  1. ANALOG ELECTRONICS;
  2. DIGITAL ELECTRONICS;
  3. ELECTRICAL MACHINES AND MEASUREMENTS;
  4. ELECTRICAL CIRCUIT ANALYSIS;
  5. ENGINEERING ELECTROMAGNETIC AND ANTENNA THEORY;
  6. INDUSTRIAL AND POWER ELECTRONICS;
  7. RADIO AND TELEVISION ENGINEERING;
  8. ADVANCED ELECTRONICS CIRCUITS;
  9. ELECTRONIC DEVICES;
  10. OPTICAL FIBER COMMUNICATION;
  11. MICROWAVE AND SATELLITE COMMUNICATION;
  12. DIGITAL SIGNAL PROGRESSING;
  13. SCIENTIFIC, INDUSTRIAL, AND BIOMEDICAL INSTRUMENTATION;
  14. SEMICONDUCTOR AND VLSI TECHNOLOGY;
  15. COMMUNICATION THEORY;
  16. ADVANCED COMMUNICATION THEORY;
  17. CONTROL ENGINEERING;
  18. MOBILE CELLULAR COMMUNICATION;
  19. TELECOMMUNICATION NETWORK;
  20. MULTIMEDIA COMMUNICATIONS;
  21. IMAGE PROCESSING.

এছাড়াও PROGRAMMING C/C++, MICROPROCESSOR, AND ASSEMBLY LANGUAGE, MICROCONTROLLER, DATA COMMUNICATION AND COMPUTER NETWORK, COMPUTER PERIPHERAL AND INTERFACING, COMPUTER ORGANIZATION AND ARCHITECTURE, RENEWABLE ENERGY TECHNOLOGY, ENGINEERING DRAWING কোর্সগুলো করতে হয়।

এছাড়া মাইনর কোর্সগুলোর কথা না হয় থাকুক।

তাহলে একজন ইলেকট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ার এর সাথে একজন কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ার পার্থক্যটা হল, ইলেক্ট্রিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারদের POWER PLANT ENGINEERING, POWER CONVERSION, HIGH VOLTAGE ENGINEERING, POWER PLANT PROJECTION, POWER SYSTEM RELIABILITY, POWER SYSTEM OPERATION AND CONTROL    এই কোর্সগুলো মেজর হিসেবে পড়তে হয়- যেটাকে CORE কোর্স বিবেচনা করা যেতে পারে। কিন্তু কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারদের CORE কোর্স হল কমিউনিকেশন।

আপনাকে কাজ করতে হবে কমিউনিকেশন এর কথা চিন্তা করে। তবে ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ার হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠা করা ব্যাপার না।

কমিউনিকেশন বলতে আমরা যা সোজা বাংলায় বুঝি যোগাযোগ। কিন্তু যোগাযোগ যখন ELECTRONICALLY হবে সেটাকে ধরা হবে ECE হিসেবে। আপনার একটা তথ্য আছে সেটা আরেক জায়গায় TRANSFER করতে হবে। একজন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে কাজ করতে হবে   DATA LOSS/ATTENUATION কমানোর মাধ্যমে আপনার তথ্যের সঠিক প্রেরণ। সেটার জন্য আপনাকে কখন কোথায় কি উপায় প্রয়োগ করতে হবে সেটা শিখানো হবে ECE তে। একটা সময় ছিল মোবাইলে কথা বলতে খরচ ছিল মিনিটে ১০ টাকা। এখন ৬০ পয়সা! এটা সম্ভব হয়েছে টেলিকমিউনিকেশন বিভাগের উন্নতির কারণে। একসময় ইন্টারনেট ব্যবহার ছিল কল্পনার ব্যাপার। এটা এখন সবার কাছে সবচেয়ে সহজ ব্যাপার। কারণ FIBER OPTIC COMMUNICATION সহ কমিউনিকেশনের উন্নতির কারণে।

তবে এর মানে এই না যে তাহলে সব তো হয়েই গেছে; আমি পড়ে কি করব? মনে রাখবেন একজন কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারের কাজ কখনও শেষ হয়না। এখন পর্যন্ত BENDING LOSS, DISPERSION এগুলো কমানো সম্ভব হয়েছে। তবে অনেক INFORMATION এখনও   LOSS এখনো যথেষ্ট কম না। আর এসব নিয়ে কাজ এখনও হয়ে যাচ্ছে, ভবিষ্যতে আরও হবে।

ETE বিষয়টা প্রকৃতপক্ষে MOBILE COMMUNICATION কে বোঝায়। এখানে এটার প্রতি ভালভাবে FOCUS করা হয়। তবে প্রায় সব কোর্সই একই। তবে যখন একজন SATELITE এর উপর কাজ করবেন, NASA/কোনো কোম্পানির RADAR PROJECT-এ কাজ করবেন তখন ECE-র ই কিন্তু প্রাধান্য বেশি।

বাংলাদেশে কুয়েটে ECE, রুয়েটে ETE, চুয়েটে ETE, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে APECE, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে ECE , চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে APECE ও নর্থ-সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ETE ছাড়াও বেশ কিছু প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিষয়টি পড়ানো হয়।

এবার ফলিত পদার্থবিজ্ঞান এর কথায় আসা যাক। এটা পদার্থবিজ্ঞান থেকে উৎপত্তি, তবে বেশ দূর সম্পর্কের আত্মীয়। পদার্থবিজ্ঞানকে ইঞ্জিনিয়ারিং ফিল্ডে APPLY করার SYSTEM নিয়ে কাজ করে APPLIED PHYSICS. কিন্তু বলতে গেলে যদিও এখনও বর্হিবিশ্বে ৪ বছর ফলিত পদার্থবিজ্ঞান পড়ানো হয়, তবে বাংলাদেশে এটা ১ বছর এবং এর সামান্য বেশি পড়ানো হয়। মেজর কোর্সগুলো ঠিক রেখে বাকি ৩ বছর ECE এর উপরই FOCUS করা হয়।

RESEARCH AREAS: [ECE/ETE/APECE*]

ELECTRONICS, COMPUTER NETWORKS, TELECOMMUNICATION, WIRELESS COMMUNICATION, CELLULAR AND SATELLITE COMMUNICATION, SEMICONDUCTOR TECHNOLOGY AND DEVICES, RENEWABLE ENERGY TECHNOLOGY, INTELLIGENT SYSTEM ENGINEERING, DIGITAL SIGNAL PROCESSING, SOLID-STATE DEVICE NETWORKING, INSTRUMENTATION, ROBOTICS, BIOMEDICAL TECHNOLOGY, NANOTECHNOLOGY, (*SEMICONDUCTOR TECHNOLOGY, QUANTUM MECHANICS, QUANTUM OPTICS, QUANTUM THERMODYNAMICS, OPTOELECTRONICS) AND MANY MORE ETC.

*দেয়া অংশগুলো APPLIED PHYSICS এর পার্ট

HIGHER FIELD OF STUDIES FROM [ETE/ECE/APECE]

M.S/PHD IN EEE, CSE, MICROWAVE/ SATELLITE ORIENTED COMMUNICATION, NUCLEAR ENGINEERING, ROBOTICS, BIOMEDICAL ENERGY TECHNOLOGY, MICROELECTRONICS, NANO ELECTRONICS, CONTROL SYSTEM ENGINEERING ETC.

CAREER OPPORTUNITIES:

  • TELECOMMUNICATION AND MOBILE COMPANIES
  • WINMAX AND BROADBAND TECHNOLOGY COMPANIES
  • BANGLADESH RADIO (RADIO ENGINEER)*
  • BCS TELECOM CADRE
  • SCIENTIFIC OFFICER AT BAEC*
  • SCIENTIC OFFICER, BASIR*
  • BCS ECONOMIC CADRE (ASSISTANT CHIEF)
  • PETRO BANGLA (ASSISTANT MANAGER, ELECTRONICS)
  • SOFTWARE COMPANIES AND NETWORKING
  • BIOMEDICAL INSTRUMENTATION ENGINEER
  • GENERAL CADRE SERVICE, PSC (BCS)
  • IN ABROAD- COMMUNICATION ENGINEER IN TELECOM AND SATELLITE SECTOR AND WIRELESS COMMUNICATION, MICROWAVE ENGINEER.

এবার বেতন এর কথা একটু বলা যাক – এটা বলা লাগবেনা যে, বাংলাদেশের যোগাযোগ সেক্টর কতটা পিছিয়ে। যখন এয়ারটেল থেকে বিটিসিএল এ ফোন করা হয়, তখন ৫ বার নেটওয়ার্ক এরর হয়। এটা হবেনা যদি ECE/ETE এর যথেষ্ট উন্নতি হয়। বাংলাদেশে রবি, গ্রামীনফোন, এয়ারটেল, বাংলালিংক এরা ECE দের RECRUIT করা শুরু করেছে। একটা সময় সেটা খুব দ্রুত, যখন এদের প্রচুর পরিমাণে RECURIT করতে হবে। 3G-এর জন্যই দেখা যাবে আরও নতুন নতুন পোস্ট খোলা হচ্ছে।এছাড়া WIMAX COMPANY গুলো ECE/ETE/APECE GRADUATES দের ভালো জব অফার করে থাকে SYSTEM ENGINEER/NETWORK ENGINEER হিসেবে। তবে যদি একটু বাহিরের দিকে তাকানো যায় তাহলে না বললেও চলবে। ভারতেই এখন ECE এর চাহিদা কল্পনাতীত। সেখানে সরকারী ইঞ্জিনিয়ার কোটাতেও ECE ছাত্ররা কোটা পায়। UK-তে একজন কমিউনিকেশন ইঞ্জিনিয়ারের বেতনের হিসাবটা এরকম- [ HTTP://WWW.PROSPECTS.AC.UK/ ]

  • STARTING SALARIES FOR NEWLY QUALIFIED GRADUATE TRAINEE ENGINEERS: £22,000- £27,000.
  • QUALIFIED COMMUNICATIONS ENGINEERS CAN EARN BETWEEN £35,000 AND £45,000, WITH MORE SENIOR ENGINEERS EARNING BETWEEN £40,000- £55,000.
  • EXPERIENCED ENGINEERS CAN EARN IN EXCESS OF £60,000
  • BENEFITS VARY BETWEEN EMPLOYERS AND MAY INCLUDE SHARE-RELATED BENEFITS OR PROIT-SHARE SCHEMES, DISCOUNTED PRODUCTS AND A COMPANY PERNSION SCHEME.

এছাড়াও জার্মানি, অস্ট্রেলিয়াতে উচ্চ শিক্ষার যেমন ভালো সুযোগ আছে, তেমন রয়েছে চাকরির সুবিধাও।

এসব কিছুই আপনার দ্বারা সম্ভব- যদি যে বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়বেন সেখান থেকে একটা ভাল CGPA ও দক্ষতা নিয়ে বের হতে পারেন। মেধা আছে বলেই বাংলাদেশের শ্রেষ্ঠ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হতে পেরেছেন। এখন সেই মেধাকে ঝালাই করার সময়। যোগ্যতা দিয়েই সব অর্জন করতে হয়, চাকরিটাও করতে হবে। তাই নিজের মেধাকে কাজে লাগান, আপনাকে বলতে হবে না আমি পাশ করে বসে আছি। যদি নিজের লেভেলটাকে আরেকটু উপরে নেয়া যায়, তাহলে হয়ত এমন জায়গায় পৌঁছে যাবেন যেখানে যাবার কথা চিন্তাও করেননি। তাই প্রথম থেকেই ভালো করে চেষ্টা করে যান। ECE-এর একটা কোর্স আরেকটার সাথে খুব RELATED. তাই প্রতি কোর্সের সময় সেটা ভালমতো আয়ত্ত্বে নিয়ে নিবেন। যেকোনো  শিক্ষকের কাছ থেকে যা বুঝতে না পারেন তা শিখে নিবেন। কারণ শেখার সময় কিন্তু মূলত ৪ বছরই; এরপর তা প্রয়োগ করার।

 

Subscribe Youtube channel: Subscribe  

Our Facebook Page: Like  

Join Our Facebook Group: Join

☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛

Post 01: Computer Science and Engineering (About CSE Engineering) – Read Now

Post 02: Electrical and Electronic Engineering (EEE) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল – Read Now

Post 03: Architecture (আর্কিটেকচার/স্থাপত্য.) – Read Now

Post 04: Engineering (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং/পুরকৌশল) – Read Now

Post 05: Mechanical Engineering (মেকানিক্যাল ইঞ্জিঃ/ যন্ত্রকৌশল) – Read Now