CSE পড়তে গেলে যেই জিনিসটা খুবই দরকারী সেটা হলো ক্রিয়েটিভিটি, প্যাশন ও লিডারশীপ কোয়ালিটি এবং অফকোর্স মাথায় রাখতে হবে সবসময় সিএসই অন্য যে কোন সাবজেক্টের চাইতে আলাদা।

সিএসইতে আপনার রেজাল্ট যদি ২ পয়েন্ট সামথিং থাকে (আউট অফ ৪), একগাদা ড্রপ কোর্স থাকে, হাতে সার্টিফিকেট না থাকে তবুও আপনি ইন্ডাস্ট্রি কাপিয়ে দিতে পারবেন যদি আপনার ক্রিয়েটিভিটি, প্যাশন, লিডারশীপ থাকে। এই তিনটা জিনিসের কম্বিনেশনে আপনি একটা জিনিসে বস হয়ে যেতে পারবেন যেটাকে বলা হয় প্রোগ্রামিং। এখন একটু ভেঙ্গে বলি এই তিনটা জিনিস কেন দরকার।

ক্রিয়েটিভিটিঃ আপনার কি রাতের বেলায় আইডিউয়ার ঠেলায় ঘুম আসেনা? তাহলে আপনি সফটওয়ার ডেভেলপমেন্টে ভালো করবেন। কারণ ইন্ডাস্ট্রি ক্রিয়েটিভিটি চায়। দিন যাচ্ছে আর মানুষের কাছে চাহিদা বাড়ছে নতুন নতুন টেকনোলোজির। সুতরাং নতুন কিছু বানানোর মতো ক্ষমতা আপনার থাকতে হবে। আপনার মাথায় সবসময় নতুন কিছু ঘুরপাক খেতে হবে। নাহলে একাডেমিক প্রজেক্ট করার সময় আপনাকে দিশেহারা হয়ে ঘুরতে হবে। ফাইনাল ইয়ারে থিসিসের টপিক খুঁজে পাবেন না যেটা কিনা খুবই দুঃখজনক ব্যাপার বছর পড়াশোনা করার পর

প্যাশনঃ নতুন কিছু বানানোর ক্ষমতা থাকলেই হবেনা সেই সাথে ইচ্ছাটাও থাকতে হবে। ক্রিয়েটিভ লোকজন সবচাইতে বেশি হতাশায় ভোগে। সেই হতাশা আপনাকে কাটিয়ে উঠতে হবে। সব বাঁধা ভেঙ্গে দিয়ে কিছু করতে হলে প্যাশন থাকা জরুরী এবং সেই প্যাশনটা অবশ্যই সিএসই-জন্যেই হতে হবে। সিএসই-তে পড়ে পলিটিক্স নিয়ে প্যাশন থাকলে সিএসই-কোনো আউটকাম আসবেনা এটা কনফার্ম

লিডারশিপঃ A Leader is a by born Problem Solver. সিএসই পড়ার মানেই হলো নতুন নতুন প্রবলেম ম্যাথম্যাটিকসের লজিক এপ্লাই করে, ফিজিক্সের রুল দিয়ে সলভ করা। যে রিয়েল লাইফে ভালো প্রবলেম সলভার সে ভালোভাবে জানে একটা প্রবলেম কিভাবে সলভ করতে হয়। তাছাড়া একটা যে কোন লেন্থি কাজ আজকে কিভাবে শুরু করলে ১০ দিন পরে এটার ফল কি হবে এটা লিডার ছাড়া কেউ বলতে পারবে না। লিডারশীপ যার মধ্যে থাকে তার মধ্যে ক্রিয়েটিভিটিও অটোমেটিক চলে আসে

তবে সবচাইতে বড় কথা হচ্ছে আপনাকে ভালোবাসতে হবে সাবজেক্টটাকে। স্বপ্ন দেখতে হবে আর স্বপ্ন সত্যি করার জন্য এনাফ গাটস থাকতে হবে। সাবজেক্টটার প্রতি ভালোবাসা না থাকলে ভালো করা সম্ভব না।

একটা ছোট্ট উদাহরণ দেই একজন বড়ভাইয়ের। উনি SUST এর ৯৭-৯৮ ব্যাচের মনির ভাই। পাগল টাইপের মানুষ। ক্লাশ করতেন না। দিনরাত নতুন নতুন সফটওয়ার বানাতেন। অনেক ড্রপ কোর্স ছিলো। রেজাল্ট ৩ এর নিচে। উনার ব্যাচের ৪/২ পরীক্ষার পরেও অনেক কোর্স বাকি ছিলো। সার্টিফিকেট ছাড়াই উনি চাকরি পেয়ে গেলেন মাইক্রোসফট এ। জাফর স্যার উনাকে আমারিকা থেকে আনিয়ে কোর্সগুলো কমপ্লিট করিয়েছিলেন। কথায় কথায় স্যার একদিন জিজ্ঞেস করেছিলেন যে তোমার রেজাল্ট, সার্টিফিকেট নিয়ে এরা কিছু বলেনা? মনির ভাই উত্তর দিয়েছিলেন “না। ওরা ভয় পায়; আমি যদি তাহলে চাকরি ছেড়ে দেই।“

Video: Computer Science and Engineering Subject Review by UniQuery

ক্রেডিটঃ

সুদীপ্ত কর (CSE, SUST)

☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛☛

Post 01: Computer Science and Engineering (About CSE Engineering) – Read Now

Post 02: Electrical and Electronic Engineering (EEE) তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল – Read Now

Post 03: Architecture (আর্কিটেকচার/স্থাপত্য.) – Read Now

Post 04: Engineering (সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং/পুরকৌশল) – Read Now

Post 05: Mechanical Engineering (মেকানিক্যাল ইঞ্জিঃ/ যন্ত্রকৌশল) – Read Now  

ইউনিকোয়েরি-কে সাবস্ক্রাইব করার অনুরোধ জানাচ্ছি

Subscribe Youtube channel: Subscribe  

Our Facebook Page: Like  

Join Our Facebook Group: Join