সূচিপত্র
- আইটি সাবজেক্ট রিভিউ (IIT): সংক্ষেপে যা জানা দরকার
- ইতিহাস: ২০০১ সালে যেভাবে যাত্রা শুরু
- IIT-তে কী কী পড়ানো হয়
- সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং (IT) বনাম CSE: পার্থক্যটা আসলে কী
- ভর্তি ও যোগ্যতা
- বাংলাদেশে কোথায় পড়া যায়
- ক্যারিয়ার সুযোগ
- ক্যাম্পাস জীবন: কনটেস্ট, ইন্টার্নশিপ ও কমিউনিটি
- IIT পড়া কি সবার জন্য? আসল কথা
- প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বন্ধু, কী করিস?
মোবাইলে গেমস খেলি।
কী গেমস দেখি? মজার তো! কোন ওয়েবসাইট থেকে নামাইছিস?
আমি বানাইছি।
কী! সত্যি?
হুম, আর কত অন্যের বানানো গেমস খেলবো? এখন আমার গেমস সবাই খেলবে।
ঘটনাটা সত্যি। আর ঠিক এমন অনুভূতি জন্ম দিতে পারে যে বিষয়টা, তার নাম আইটি।
শুরুতেই একটা বিভ্রান্তি দূর করে নেওয়া যাক। এখানে “IIT” বলতে ভারতের বিখ্যাত Indian Institutes of Technology বোঝানো হচ্ছে না। এটা Institution of Information Technology, আমাদের নিজের দেশের কয়েকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট ইনস্টিটিউট, যেখান থেকে বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে (BSc in Software Engineering – BSSE) স্নাতক ডিগ্রি দেওয়া শুরু হয়। এই আইটি সাবজেক্ট রিভিউতে থাকছে এই ইনস্টিটিউট কী শেখায়, কোথায় পড়া যায়, CSE-এর সাথে পার্থক্য কী, আর পাশ করার পর ক্যারিয়ার কেমন হতে পারে, সবটাই।
আইটি সাবজেক্ট রিভিউ (IIT): সংক্ষেপে যা জানা দরকার
- কী পড়ানো হয়: প্রোগ্রামিং, ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং, ডেটাবেজ, নেটওয়ার্কিং, ডিসক্রিট ম্যাথ ও পরিসংখ্যান
- ভর্তি: বিজ্ঞান পটভূমি থেকে HSC, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ইউনিটের মাধ্যমে, গণিতে ভালো ভিত্তি জরুরি
- কোথায় পড়বেন: ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (IIT, DU), জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (IIT, JU) সহ আরও কিছু বিশ্ববিদ্যালয়ে সমমানের ইনস্টিটিউট
- ক্যারিয়ার: সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, মাল্টিন্যাশনাল টেক কোম্পানি, দেশি আইটি ফার্ম, ফ্রিল্যান্সিং, নিজের স্টার্টআপ, গবেষণা
- IT বনাম CSE: জমজ ভাইয়ের মতো, একটা নতুন টুল তৈরি শেখায় (CSE), আরেকটা সেই টুল বাস্তব সমস্যায় প্রয়োগ শেখায় (IT/SE)
ইতিহাস: ২০০১ সালে যেভাবে যাত্রা শুরু
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের Institute of Information Technology (IIT, DU) যাত্রা শুরু করে ২০০১ সালের জুনে, ১৯৮৫ সালে প্রতিষ্ঠিত পুরোনো কম্পিউটার সেন্টারকে নতুন রূপ দিয়ে। এখান থেকেই বাংলাদেশে প্রথম চালু হয় BSc in Software Engineering (BSSE) ডিগ্রি। আমাদের পাশের দেশ ভারত যখন সফটওয়্যার রপ্তানিতে এশিয়ার শীর্ষে, বাংলাদেশকেও একই পথে এগিয়ে নেওয়ার একটা প্ল্যাটফর্ম হিসেবে IIT-এর গুরুত্ব তাই একটু আলাদা।
বর্তমানে IIT, DU-তে আন্ডারগ্র্যাজুয়েট BSSE-র পাশাপাশি MSSE, MIT (Master in Information Technology), PGDIT, এমনকি MPhil ও PhD পর্যায়ের গবেষণাও চলে। ২০০৯ সালে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়েও একই ধাঁচের একটা ইনস্টিটিউট, IIT, JU, চালু হয়, যেখানে এখন আন্ডারগ্র্যাজুয়েট আর PMIT (Professional Master in Information Technology), দুটোই পড়ানো হয়।
IIT-তে কী কী পড়ানো হয়
নিছক মুখস্থবিদ্যা দিয়ে এই সাবজেক্টে খুব বেশি দূর যাওয়া যায় না, প্রতিটা ধাপে লজিক আর যুক্তি প্রয়োগ করতে হয়। সাধারণত যেসব কোর্স পড়তে হয়:
- স্ট্রাকচার্ড প্রোগ্রামিং ও অবজেক্ট-ওরিয়েন্টেড প্রোগ্রামিং
- ডেটা স্ট্রাকচার ও অ্যালগরিদম
- ডিসক্রিট ম্যাথমেটিক্স
- ক্যালকুলাস ও অ্যানালিটিক্যাল জিওমেট্রি
- প্রোবাবিলিটি ও স্ট্যাটিসটিক্স
- সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং পরিচিতি ও সফটওয়্যার প্রজেক্ট ম্যানেজমেন্ট
- ডেটাবেজ সিস্টেম
- কম্পিউটার নেটওয়ার্কিং
- গ্রাফিক্স ও ভিজ্যুয়াল কম্পিউটিং
- শেষ বর্ষে একটা বড় সফটওয়্যার প্রজেক্ট বা থিসিস
তত্ত্বীয় ক্লাসের পাশাপাশি ল্যাবে সরাসরি কোড লিখে সেই তত্ত্ব যাচাই করাটাই এখানকার সবচেয়ে বড় শেখার জায়গা। অনেকেই একটানা রাত জেগে কোড করে কাটিয়ে দেন, ল্যাব থেকে বের হতে হতে রাত ৬-৭টা বেজে যাওয়াটাও এখানে বেশ স্বাভাবিক ঘটনা। বাইনারি, হেক্সাডেসিমেল বা কাস্টম বেস নিয়ে কাজ করার সময় হাতের কাছে একটা টুল থাকলে সুবিধা হয়, আমাদের নিজস্ব সংখ্যা পদ্ধতি রূপান্তরকারী এই কাজে সরাসরি ব্যবহার করতে পারেন, একদম ফ্রি।
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং (IT) বনাম CSE: পার্থক্যটা আসলে কী
এটাই সবচেয়ে বেশি জিজ্ঞেস করা প্রশ্ন। বিদেশে কম্পিউটার সায়েন্স আর সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং অনেক আগে থেকেই আলাদা দুটো শাখা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত, আমাদের দেশে ধারণাটা তুলনামূলক নতুন। সহজ করে বললে, CSE-এর কাজ নতুন টুল আর প্রযুক্তি তৈরি করা, আর IT বা সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের কাজ সেই টুলগুলোকে বাস্তব সমস্যা সমাধানে ঠিকভাবে প্রয়োগ করা। দুটো বিষয়কে জমজ ভাইয়ের মতো ভাবা যায়, একজনের জন্ম একটু আগে, আরেকজনের পরে।
| বিষয় | CSE | IT / সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং |
|---|---|---|
| মূল ফোকাস | নতুন অ্যালগরিদম, ভাষা ও তত্ত্ব তৈরি | বিদ্যমান টুল দিয়ে বাস্তব সমস্যার সমাধান তৈরি |
| ধরন | তত্ত্বনির্ভর, গবেষণামুখী | প্রয়োগমুখী, প্রজেক্টভিত্তিক |
| সাধারণ ক্যারিয়ার | অ্যালগরিদম ডিজাইনার, গবেষক, সিস্টেম আর্কিটেক্ট | সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, প্রজেক্ট ম্যানেজার, প্রোডাক্ট ডেভেলপার |
| দেশে সবচেয়ে পরিচিত উদাহরণ | CSE বিভাগ, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে | IIT, DU এবং IIT, JU |
IIT, DU-এর নিজস্ব বিশেষত্ব হলো এখানে সাধারণ কোর্সের পাশাপাশি নির্দিষ্ট কিছু স্পেশালাইজড কোর্স করতে হয়, যেখানে সরাসরি একটা সফটওয়্যার প্রজেক্ট নিয়ে দীর্ঘ সময় কাজ করতে হয়। ইন্ডাস্ট্রির সাথে ঘনিষ্ঠ সংযোগ আর ইন্টার্নশিপের সুযোগ থাকাটাও এখানকার পড়াশোনার নিয়মিত অংশ, যেটা অনেক শিক্ষার্থীর প্রথম কাজের অভিজ্ঞতা তৈরিতে সরাসরি সাহায্য করে।
ভর্তি ও যোগ্যতা
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে BSSE প্রোগ্রামে ভর্তি হতে হয় বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মাধ্যমে, অর্থাৎ বিজ্ঞান বিভাগ থেকে HSC পাশ হওয়া বাধ্যতামূলক। গণিতে ভালো দখল আর যৌক্তিক চিন্তাভাবনার অভ্যাস থাকলে এখানে মানিয়ে নেওয়া তুলনামূলক সহজ হয়। প্রতিটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি ইউনিট, পদ্ধতি আর ন্যূনতম জিপিএ-র শর্ত বছর বছর কিছুটা বদলাতে পারে, তাই ভর্তির আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের হালনাগাদ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি দেখে নেবেন। HSC-তে ঠিক কত জিপিএ পেয়েছেন তা নিয়ে দ্বিধা থাকলে আমাদের জিপিএ ক্যালকুলেটর (SSC/HSC) দিয়ে দ্রুত হিসাব করে নিতে পারেন।
বাংলাদেশে কোথায় পড়া যায়
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের IIT আর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের IIT, এই দুটোই দেশের সবচেয়ে পরিচিত ইনস্টিটিউট। এছাড়া রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে ICT (Institute of Information and Communication Technology) নামে কাছাকাছি ধরনের একটা ইনস্টিটিউট আছে। নাম আলাদা হলেও পড়ানো বিষয়বস্তুর বড় অংশ একে অপরের সাথে মিলে যায়। কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঠিক কোন ডিগ্রি আর কারিকুলাম চালু আছে, সেটা সবসময় সংশ্লিষ্ট ইনস্টিটিউটের নিজস্ব ওয়েবসাইট থেকে যাচাই করে নেওয়া ভালো, যেহেতু নাম আর কারিকুলাম দুটোই সময়ের সাথে বদলাতে পারে।

ক্যারিয়ার সুযোগ
এখন আইটির যুগ, কথাটা ক্লিশে শোনালেও বাস্তবতা এটাই। কাজ ঠিকমতো জানা থাকলে চাকরি খুঁজতে হয় না, চাকরিই খুঁজে নেয়। মাইক্রোসফট, গুগলের মতো বৈশ্বিক প্রতিষ্ঠানে বাংলাদেশের অনেক শিক্ষার্থী গর্বের সাথে কাজ করছেন, এসব প্রতিষ্ঠান মাঝেমধ্যে ক্যাম্পাসে এসে সরাসরি রিক্রুটমেন্টও করে। দেশেও এখন বেশ কিছু প্রতিষ্ঠিত আইটি ফার্ম, মোবাইল কোম্পানি আর মাল্টিন্যাশনাল আইটি প্রতিষ্ঠান আছে, যেখানে নিয়মিত সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগ হয়।
আগ্রহ থাকলে ফ্রিল্যান্সার হিসেবেও দাঁড়িয়ে যাওয়া যায়, এমন উদাহরণ আশেপাশেই অনেক পাবেন। নিজের আইটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলার পথও খোলা, আর ইচ্ছে করলে দেশের বাইরেও পাড়ি দেওয়া যায়। যাঁদের গবেষণায় আগ্রহ, তাঁদের জন্য MSSE, MIT বা বিদেশে সরাসরি পিএইচডি করার পথও তৈরি হয়ে আছে। পড়াশোনা চলাকালীন সেমিস্টার বা সামগ্রিক ফলাফল ট্র্যাক করতে আমাদের CGPA ক্যালকুলেটর কাজে লাগবে।
ক্যাম্পাস জীবন: কনটেস্ট, ইন্টার্নশিপ ও কমিউনিটি
বছরজুড়েই কোনো না কোনো প্রোগ্রামিং প্রতিযোগিতা লেগে থাকে, যেমন ACM-ICPC, আর বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ন্যাশনাল কনটেস্ট। ভিন্ন ভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সাথে একসাথে বসে নিজেকে যাচাই করার এই সুযোগটা অন্য অনেক বিষয়ে সহজে মেলে না। BASIS-এর সফটওয়্যার মেলার মতো আয়োজনে ভলান্টিয়ার হওয়া, মাইক্রোসফট বা গুগলের স্টুডেন্ট প্রোগ্রামে অংশ নেওয়া, নিজের বানানো অ্যাপ প্লে স্টোরে পাবলিশ করা, এসবও এখানকার শিক্ষাজীবনের নিয়মিত অংশ হয়ে ওঠে।
ইন্ডাস্ট্রির সাথে সরাসরি সংযোগ আর ইন্টার্নশিপের সুযোগ থাকায় অনেক শিক্ষার্থী পড়াশোনা শেষ হওয়ার আগেই বাস্তব কাজের অভিজ্ঞতা নিয়ে ফেলেন, যেটা প্রথম চাকরি পাওয়ার সময় বড় একটা সুবিধা হয়ে দাঁড়ায়।
IIT পড়া কি সবার জন্য? আসল কথা
সত্যি কথা বলি, শুধু ভালো রেজাল্ট থাকলেই এখানে ভালো করা যায় না। আবার রেজাল্ট মাঝারি হলেও সৃজনশীলতা আর ধৈর্য থাকলে কেউ পিছিয়ে থাকেন না, এটা যেকোনো আইটি শিক্ষার্থীর কাছেই শুনবেন। যাঁরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা একটা সমস্যা নিয়ে লেগে থাকতে বিরক্ত হন না, নতুন আইডিয়া নিয়ে খেলতে ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য এই সাবজেক্ট সহজাতভাবেই মানানসই। যাঁরা দ্রুত ফলাফল আর বাঁধাধরা রুটিন পছন্দ করেন, তাঁদের জন্য শুরুর দিকটা কিছুটা অস্বস্তিরও হতে পারে।
শেষ কথা একটাই। কোন সাবজেক্ট কত নম্বরে আছে সেই তালিকা দেখে না গিয়ে, বিষয়টা আসলে কী শেখায় সেটা আগে জেনে নিন। যেটা পড়তে গিয়ে আপনার ভেতরের কৌতূহলটা জেগে ওঠে, সেটাই আপনার জন্য সঠিক বিষয়। মানুষের বানানো “কোনটা এক নম্বর সাবজেক্ট” এই বিভাজন অনুসরণ করে নিজের সাথে প্রতারণা করবেন না।
প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
এই IIT কি ভারতের বিখ্যাত IIT-র মতো একই জিনিস?
না। এটা Institution of Information Technology, বাংলাদেশের কয়েকটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের একটা নির্দিষ্ট ইনস্টিটিউট। ভারতের Indian Institutes of Technology সম্পূর্ণ আলাদা, স্বতন্ত্র প্রতিষ্ঠান।
IT আর ICT কি একই জিনিস?
মোটামুটি একই ধরনের এলাকা, তবে বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে নাম আলাদা হতে পারে, যেমন জাহাঙ্গীরনগরে IIT, রাজশাহীতে ICT। কারিকুলামের বড় অংশ একে অপরের সাথে মিলে যায়, তবে সুনির্দিষ্ট ডিগ্রি কাঠামো বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ওয়েবসাইট দেখে যাচাই করা ভালো।
IT আর CSE-এর মধ্যে পার্থক্য কী?
CSE নতুন টুল ও প্রযুক্তি তৈরি করা শেখায়, IT/সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ারিং সেই টুল বাস্তব সমস্যায় প্রয়োগ করা শেখায়। দুটোই একে অপরের পরিপূরক, প্রতিযোগী নয়।
IIT-তে ভর্তি হতে কী লাগে?
বিজ্ঞান বিভাগ থেকে HSC পাশ, আর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়া লাগে। গণিতে ভালো ভিত্তি থাকলে সুবিধা হয়।
আইটি পড়ে কী ধরনের চাকরি পাওয়া যায়?
সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে দেশি-বিদেশি প্রতিষ্ঠানে চাকরি, ফ্রিল্যান্সিং, নিজের প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা, অথবা গবেষণা ও উচ্চশিক্ষার পথ, সবগুলোই খোলা থাকে।
আগে থেকে প্রোগ্রামিং না জানলে সমস্যা হবে?
না, বেশিরভাগ শিক্ষার্থীই শূন্য থেকে শুরু করেন। যেটা লাগবে তা হলো ধৈর্য আর সমস্যা সমাধানের ইচ্ছা, আগে থেকে অভিজ্ঞতা থাকা বাধ্যতামূলক না।
আমাদের Subject Review সিরিজের অন্য পর্বগুলোও ঘুরে দেখতে পারেন, আর কোন বিষয় নিয়ে পরের লেখাটা চান, কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

