মূল কনটেন্টে যান

ফিন্যান্স (Finance) সাবজেক্ট রিভিউ: কী পড়ানো হয়, ভর্তি কীভাবে আর ক্যারিয়ার কেমন

২১ আগস্ট ২০২৬ ৭ মিনিট পড়া
Finance (ফিন্যান্স) সাবজেক্ট রিভিউ: ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার

ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে চান্স পাওয়ার পর সবচেয়ে বড় প্রশ্ন হয়, কোন বিভাগ নেব। Finance প্রায় প্রতিবারই প্রথম কয়েকটা পছন্দের মধ্যে থাকে, আর কারণটা সহজ, এই বিষয়ের সাথে দেশের ব্যাংক ও আর্থিক খাতের সরাসরি যোগ আছে। কিন্তু বিভাগটা আসলে কী পড়ায়, কাদের জন্য উপযুক্ত আর চাকরির বাজারটা কেমন, সেটা নিয়ে ধারণা প্রায়ই অস্পষ্ট থাকে। এই রিভিউতে সেটাই পরিষ্কার করলাম।

সূচিপত্র

  1. কী পড়ানো হয়
  2. কেমন মানুষের জন্য
  3. কোথায় পড়বেন ও আসন
  4. ক্যারিয়ারের পথ
  5. যে সার্টিফিকেশনগুলো আলাদা সুবিধা দেয়
  6. পড়ার সময় কী করবেন
  7. সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

Finance-এ কী পড়ানো হয়

প্রথম দুই বছর সব ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীর জন্য মোটামুটি একই, হিসাববিজ্ঞান, ব্যবস্থাপনা, অর্থনীতি, পরিসংখ্যান আর ব্যবসায় গণিত। তৃতীয় বর্ষ থেকে বিভাগভিত্তিক গভীরে যাওয়া শুরু।

  • করপোরেট ফিন্যান্স: প্রতিষ্ঠান কীভাবে টাকা জোগাড় করবে, কোথায় বিনিয়োগ করবে, মূলধনের কাঠামো কেমন হবে
  • বিনিয়োগ ও পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনা: শেয়ার ও বন্ডের মূল্যায়ন, ঝুঁকি-মুনাফার ভারসাম্য, পোর্টফোলিও সাজানো
  • আর্থিক বাজার ও প্রতিষ্ঠান: ব্যাংক, বিমা, পুঁজিবাজার আর নিয়ন্ত্রক সংস্থা কীভাবে কাজ করে
  • ব্যাংক ব্যবস্থাপনা ও ঋণ বিশ্লেষণ: ঋণের ঝুঁকি যাচাই, খেলাপি ঋণ ব্যবস্থাপনা
  • আন্তর্জাতিক ফিন্যান্স: বৈদেশিক মুদ্রার হার, রেমিট্যান্স, আমদানি-রপ্তানির অর্থায়ন
  • ঝুঁকি ব্যবস্থাপনা ও ডেরিভেটিভস: ফরোয়ার্ড, ফিউচার, অপশন
  • আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণ: ব্যালান্স শিট আর আয় বিবরণী পড়ে প্রতিষ্ঠানের স্বাস্থ্য বোঝা

বিষয়টা হিসাব-নির্ভর, তাই গণিতে অস্বস্তি থাকলে কষ্ট হয়। তবে ভয়ের কিছু নেই, এখানে যে গণিত লাগে তা মূলত সুদের হিসাব, অনুপাত আর গড়-বিচ্যুতি, উচ্চতর গণিত নয়। এক্সেলে কাজ করতে পারাটা কার্যত বাধ্যতামূলক দক্ষতা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

Finance কেমন মানুষের জন্য

সংখ্যা নিয়ে কাজ করতে ভালো লাগা প্রথম শর্ত। এর পরেই আসে খুঁটিনাটির প্রতি মনোযোগ, কারণ আর্থিক হিসাবে একটা ছোট ভুল বড় ফল আনে। যাঁরা খবর পড়তে ভালোবাসেন, অর্থনীতির খবরে আগ্রহ পান, বাজেট বা মুদ্রানীতি নিয়ে কৌতূহল হয়, তাঁদের জন্য বিষয়টা স্বাভাবিকভাবেই আকর্ষণীয় হয়ে ওঠে।

সৎ সীমাবদ্ধতা: ব্যাংকের চাকরি বাইরে থেকে যতটা আরামদায়ক মনে হয়, ভেতরে ততটা নয়। শাখা পর্যায়ে কাজের চাপ বেশি, লক্ষ্যমাত্রা পূরণের চাপ থাকে, আর শুরুর পোস্টিং প্রায়ই ঢাকার বাইরে হয়। এই বাস্তবতা জেনে ঢুকলে পরে হতাশা কম হয়।

কোথায় পড়বেন ও আসন কত

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে ৯টি বিভাগ, আর ২০২৫-২৬ সেশনে এই ইউনিটে মোট আসন ছিল ১,০৫০টি। বিভাগভিত্তিক ভাগটা দেখলে প্রতিযোগিতার ছবিটা পরিষ্কার হয়।

বিভাগআসন (২০২৫-২৬)
ম্যানেজমেন্ট১৫০
একাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস১৫০
মার্কেটিং১৫০
ফিন্যান্স১৫০
ব্যাংকিং ও ইনস্যুরেন্স১০০
ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস (MIS)১০০
ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট১০০
ইন্টারন্যাশনাল বিজনেস১০০
অর্গানাইজেশন স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড লিডারশিপ৫০
মোট১,০৫০

ফিন্যান্স, মার্কেটিং, ম্যানেজমেন্ট আর AIS, এই চারটিতেই সর্বোচ্চ ১৫০টি করে আসন। মেধাক্রম ভালো হলে পছন্দের বিভাগ পাওয়া সহজ হয়, তাই বিষয় পছন্দক্রম দেওয়ার আগে আগের বছরের তালিকা দেখে নেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ। বিভাগের বিস্তারিত ও কোর্স কাঠামো আছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অফিসিয়াল সাইটে

এর বাইরে রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথসহ সব বড় পাবলিকে ফিন্যান্স বিভাগ আছে, আর কয়েকটিতে ভর্তি হয় গুচ্ছ (GST) পদ্ধতিতে। প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয়ে বিবিএর মেজর হিসেবে ফিন্যান্স নেওয়া যায়; খরচের তুলনা করতে দেখুন নর্থ সাউথ আর ব্র্যাক রিভিউ।

Finance-সহ ঢাবি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ৯ বিভাগে আসন বিন্যাস, মোট ১,০৫০

Finance পড়ে ক্যারিয়ারের পথ

  • ব্যাংকিং: সবচেয়ে বড় গন্তব্য। বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে দেশে তফসিলি ব্যাংক ৬৩টি আর ফাইন্যান্স কোম্পানি ৩৫টি, ফলে নিয়োগের পরিসর বড়। প্রবেশ হয় প্রবেশনারি অফিসার বা ট্রেইনি অফিসার হিসেবে
  • কেন্দ্রীয় ব্যাংক ও নিয়ন্ত্রক সংস্থা: বাংলাদেশ ব্যাংকের অ্যাসিস্ট্যান্ট ডিরেক্টর পদ, বিএসইসি, বিমা উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ
  • করপোরেট ফিন্যান্স বিভাগ: বড় শিল্পগোষ্ঠী ও বহুজাতিক কোম্পানির ট্রেজারি, বাজেটিং, আর্থিক পরিকল্পনা
  • পুঁজিবাজার: ব্রোকারেজ হাউস, মার্চেন্ট ব্যাংক, অ্যাসেট ম্যানেজমেন্ট কোম্পানিতে বিশ্লেষক
  • বিমা খাত: আন্ডাররাইটিং, দাবি নিষ্পত্তি, বিনিয়োগ ব্যবস্থাপনা
  • নিরীক্ষা ও পরামর্শক প্রতিষ্ঠান: আর্থিক পরামর্শ, ঝুঁকি নিরূপণ
  • বিসিএস ও সরকারি চাকরি: বিশেষ করে অডিট ও অ্যাকাউন্টস এবং ট্যাক্স ও কাস্টমস ক্যাডারে ব্যবসায় শিক্ষার শিক্ষার্থীদের ভিত্তি কাজে লাগে
  • শিক্ষকতা: মাস্টার্সের পর বিশ্ববিদ্যালয়ে

খাতটার নিয়মকানুন ও হালনাগাদ পরিসংখ্যান দেখতে পারেন বাংলাদেশ ব্যাংকের ওয়েবসাইটে, আর পুঁজিবাজারের নিয়ন্ত্রক তথ্যের জন্য বিএসইসির সাইট দেখতে পারেন। ব্যাংক একীভূতকরণের কারণে সংখ্যাগুলো মাঝেমধ্যে বদলায়, তাই সর্বশেষ তালিকা কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সাইট থেকেই মিলিয়ে নেবেন।

যে সার্টিফিকেশনগুলো আলাদা সুবিধা দেয়

এই ক্ষেত্রে ডিগ্রির পাশাপাশি পেশাদার সনদ বড় পার্থক্য গড়ে দেয়, আর অনেকে সেটা দেরিতে জানেন।

  • CFA: বিনিয়োগ ও পোর্টফোলিও ব্যবস্থাপনায় আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত। তিনটি লেভেল, খরচ ও সময় দুটোই বেশি, কিন্তু পুঁজিবাজার ও অ্যাসেট ম্যানেজমেন্টে কাজ করতে চাইলে সবচেয়ে কার্যকর
  • CA / CMA: হিসাব ও নিরীক্ষার দিকে যেতে চাইলে। অনার্সের পাশাপাশিও শুরু করা যায়
  • ব্যাংকিং ডিপ্লোমা (JAIBB/DAIBB): ব্যাংকে ঢোকার পর পদোন্নতিতে সরাসরি কাজে লাগে
  • এক্সেল ও আর্থিক মডেলিং: সনদ নয়, কিন্তু নিয়োগের সময় হাতেকলমে পরীক্ষা নেওয়া হয়। এটাই সবচেয়ে দ্রুত ফেরত দেওয়া বিনিয়োগ

পড়ার সময় কী করবেন

  • এক্সেল শিখুন গভীরভাবে, শুধু সূত্র নয়, লুকআপ, পিভট আর সহজ মডেল বানানো পর্যন্ত
  • ইন্টার্নশিপ তৃতীয় বর্ষ থেকে খুঁজুন, ব্যাংক বা ব্রোকারেজে এক-দুই মাসের অভিজ্ঞতাও সিভিতে বড় পার্থক্য আনে
  • অর্থনীতির খবর নিয়মিত পড়ুন, কারণ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা আর ভাইভা দুটোতেই সাম্প্রতিক বিষয় আসে
  • ব্যাংক জব প্রস্তুতি আলাদা করে নিন, এই পরীক্ষায় গণিত, ইংরেজি আর বিশ্লেষণী দক্ষতার ওজন বেশি, বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন তুলনায় কম
  • ছোট অঙ্কে বিনিয়োগ করে দেখুন। নিজের টাকায় শেয়ারবাজারের আচরণ বোঝা বইয়ের চেয়ে দ্রুত শেখায়, তবে শুরুতে খুব সামান্য অঙ্কেই

Finance পড়ুয়াদের জন্য ব্যাংক নিয়োগ পরীক্ষার ধাপ

Finance পড়ুয়াদের সবচেয়ে বড় গন্তব্য যেহেতু ব্যাংক, তাই নিয়োগ প্রক্রিয়াটা আগে থেকে জানা থাকলে প্রস্তুতি গোছানো হয়। সরকারি ব্যাংকগুলোর নিয়োগ হয় ব্যাংকার্স সিলেকশন কমিটির অধীনে সমন্বিত পরীক্ষায়, আর বেসরকারি ব্যাংকগুলো নিজেরা আলাদা করে নেয়।

ধাপগুলো সাধারণত এরকম:

  • প্রিলিমিনারি (MCQ): বাংলা, ইংরেজি, গণিত, সাধারণ জ্ঞান ও কম্পিউটার। বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন এখানে কম
  • লিখিত: ইংরেজি রচনা ও অনুবাদ, গাণিতিক সমস্যা, ফোকাস রাইটিং। গণিতের অংশটাই সবচেয়ে বেশি প্রার্থী ছেঁটে দেয়
  • মৌখিক: অর্থনীতি ও ব্যাংকিংয়ের সাম্প্রতিক বিষয়, নিজের বিভাগের মৌলিক প্রশ্ন, ব্যক্তিত্ব

একটা কথা পরিষ্কার করে বলা দরকার, কারণ এতে অনেকে ধাক্কা খান। ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষায় Finance-এর বিষয়ভিত্তিক প্রশ্ন খুব কম আসে, প্রায় পুরোটাই সাধারণ দক্ষতার পরীক্ষা। অর্থাৎ বিভাগে ভালো ফল করলেই চাকরি হয়ে যাবে, এমন নয়। গণিত আর ইংরেজির আলাদা প্রস্তুতি লাগে, আর সেটা তৃতীয় বর্ষ থেকে শুরু করাই বাস্তবসম্মত।

বিপরীতে, ভাইভা আর পরবর্তী কর্মজীবনে বিভাগের পড়াশোনা সরাসরি কাজে লাগে। ঋণ বিশ্লেষণ, আর্থিক বিবরণী পড়া বা ঝুঁকি নিরূপণের কাজে যাঁরা যান, তাঁদের জন্য এই ভিত্তিটাই পদোন্নতির গতি ঠিক করে দেয়। তাই পরীক্ষার প্রস্তুতি আর বিষয়ের পড়াশোনা, দুটোকেই সমান্তরালে চালানো উচিত, একটার জন্য অন্যটা ছেড়ে দেওয়া নয়।

সাধারণ প্রশ্ন (FAQ)

ফিন্যান্স না একাউন্টিং, কোনটা নেব?

একাউন্টিং অতীতের হিসাব নিয়ে কাজ করে, ফিন্যান্স ভবিষ্যতের সিদ্ধান্ত নিয়ে। CA বা নিরীক্ষার দিকে গেলে একাউন্টিং, আর ব্যাংক-বিনিয়োগ-করপোরেট ট্রেজারির দিকে গেলে ফিন্যান্স। বিস্তারিত দেখুন একাউন্টিং সাবজেক্ট রিভিউ

বিবিএ আর ফিন্যান্স অনার্স কি আলাদা?

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ফিন্যান্স একটি স্বতন্ত্র বিভাগ, আর ডিগ্রিটাই বিবিএ (ফিন্যান্স)। প্রাইভেটে সাধারণত বিবিএ প্রোগ্রামের ভেতরে মেজর হিসেবে ফিন্যান্স নেওয়া হয়। সার্বিক ধারণা পেতে বিবিএ সাবজেক্ট রিভিউ দেখুন।

গণিতে দুর্বল হলে ফিন্যান্স পড়া যাবে?

যাবে, কারণ এখানে উচ্চতর গণিত লাগে না। তবে সংখ্যা নিয়ে কাজ করতে অস্বস্তি থাকলে বিষয়টা উপভোগ্য হবে না। প্রথম বর্ষে ব্যবসায় গণিত ও পরিসংখ্যানে মন দিলে বাকিটা সহজ হয়ে যায়।

মানবিক বা বিজ্ঞান বিভাগ থেকে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে পরীক্ষা দেওয়া যায়?

ঢাবিতে বিজ্ঞান ও মানবিকের শিক্ষার্থীদের জন্য এই ইউনিটে সীমিত সুযোগ থাকে এবং শর্ত প্রতি সেশনে বদলাতে পারে। তাই ভর্তি বিজ্ঞপ্তিতে নিজের শাখার জন্য নির্দিষ্ট শর্তটি মিলিয়ে নেওয়াই একমাত্র নির্ভরযোগ্য উপায়।

ফিন্যান্স পড়ে কি বিদেশে যাওয়া সহজ?

তুলনামূলক সহজ, কারণ ফিন্যান্স, ব্যাংকিং ও রিস্ক ম্যানেজমেন্টে ইউরোপ, যুক্তরাজ্য ও কানাডায় প্রচুর মাস্টার্স প্রোগ্রাম আছে। প্রস্তুতি শুরু করতে বিদেশে উচ্চশিক্ষার গাইড আর IELTS গাইড দেখুন।

ইন্টার্নশিপ কখন করা উচিত?

সাধারণত তৃতীয় বর্ষের শেষে বা চতুর্থ বর্ষে, যখন করপোরেট ফিন্যান্স ও আর্থিক বিবরণী বিশ্লেষণের কোর্স শেষ হয়ে যায়। এর আগে গেলে কাজ বোঝা কঠিন হয়। ব্যাংক, ব্রোকারেজ হাউস আর বড় প্রতিষ্ঠানের অ্যাকাউন্টস বিভাগ, তিনটিই ভালো জায়গা।

সিজিপিএ কত হলে ভালো চাকরি হয়?

বেশিরভাগ ব্যাংক ও বহুজাতিক কোম্পানি আবেদনের জন্য একটা ন্যূনতম সিজিপিএ চায়, আর সেটা প্রতিষ্ঠানভেদে আলাদা। তবে নির্বাচনের মূল ধাপ লিখিত পরীক্ষা, যেখানে সিজিপিএ নয়, গণিত ও ইংরেজির দক্ষতাই ফল ঠিক করে। ভালো সিজিপিএ দরজা খোলে, ভেতরে ঢোকায় প্রস্তুতি।

ব্যাংকের চাকরিই কি একমাত্র পথ?

না, তবে সংখ্যার দিক থেকে সবচেয়ে বড়। করপোরেট ট্রেজারি, পুঁজিবাজার, বিমা, পরামর্শক প্রতিষ্ঠান আর বিসিএস মিলিয়ে বিকল্প যথেষ্ট।

শেয়ার করুন: ফেসবুক টেলিগ্রাম

এই বিভাগের আরও লেখা

সব দেখুন
Marketing (মার্কেটিং) সাবজেক্ট রিভিউ: ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদে পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ

মার্কেটিং (Marketing) সাবজেক্ট রিভিউ: কী পড়ানো হয়, ভর্তি কীভাবে আর ক্যারিয়ার কেমন

Marketing সাবজেক্ট রিভিউ: মার্কেটিং বিভাগে কী পড়ানো হয়, ঢাবি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটে আসন কত, আর ব্র্যান্ড-সেলস-ডিজিটাল মিলিয়ে ক্যারিয়ারের…

২১ আগস্ট ২০২৬ ৭ মিনিট পড়া
MIS (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস) সাবজেক্ট রিভিউ: ব্যবসা ও প্রযুক্তির মাঝের বিষয়
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ

MIS (ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমস) সাবজেক্ট রিভিউ: কী পড়ানো হয় আর ক্যারিয়ার কেমন

MIS সাবজেক্ট রিভিউ: ম্যানেজমেন্ট ইনফরমেশন সিস্টেমসে কী পড়ানো হয়, CSE-র সাথে পার্থক্য কী, ঢাবিতে আসন কত আর ক্যারিয়ারের…

২০ আগস্ট ২০২৬ ৬ মিনিট পড়া
বিবিএ সাবজেক্ট রিভিউ: বাংলাদেশে ব্যবসায় প্রশাসন পড়াশোনা ও ক্যারিয়ার নির্দেশিকা
ব্যবসায় শিক্ষা অনুষদ

বিবিএ (BBA) সাবজেক্ট রিভিউ: পড়াশোনা থেকে ক্যারিয়ার পর্যন্ত সম্পূর্ণ গাইড

বিবিএ সাবজেক্ট রিভিউ: সিলেবাস, ভর্তি যোগ্যতা, সেরা বিশ্ববিদ্যালয়, ক্যারিয়ার ও বিদেশে MBA-র সুযোগ নিয়ে সম্পূর্ণ গাইড।

৮ আগস্ট ২০২৬ ৯ মিনিট পড়া

মতামত জানান

আপনার ইমেইল ঠিকানা প্রকাশ করা হবে না।