সূচিপত্র
- অর্থনীতি সাবজেক্ট রিভিউ: সংক্ষেপে যা জানা দরকার
- ইতিহাসের পাতায় অর্থনীতি: ঢাকা থেকে নোবেল পর্যন্ত
- অর্থনীতি বিভাগে ঠিক কী কী পড়ানো হয়?
- অর্থনীতিতে ভর্তি: কী কী যোগ্যতা লাগে?
- বাংলাদেশে কোথায় অর্থনীতি পড়া যায়?
- অর্থনীতি ক্যারিয়ার: পড়াশোনা শেষে কী কী সুযোগ থাকে?
- বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ
- অর্থনীতি কি কঠিন? আসল কথাটা বলা যাক
- প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
বাংলাদেশের একজন অর্থনীতির অধ্যাপক একবার চট্টগ্রামের এক গ্রামে গিয়ে নিজের পকেট থেকে ২৭ ডলারের মতো সমান টাকা ধার দিয়েছিলেন কয়েকজন গরিব মানুষকে, ব্যাংক যাঁদের দিকে ফিরেও তাকাত না। সেই ছোট্ট পরীক্ষাটা পরে রূপ নেয় একটা পুরো ব্যাংকিং মডেলে, যা বদলে দেয় বিশ্বজুড়ে দারিদ্র্য মোকাবিলার ধারণাটাই। অর্থনীতি আসলে এমনই, সংখ্যা আর তত্ত্বের আড়ালে থাকে মানুষের বাস্তব জীবনের প্রশ্ন, কেন কেউ গরিব থাকে, কীভাবে একটা দেশ ধনী হয়, বাজার কখন ঠিক কাজ করে আর কখন করে না।
নিচের এই লেখাটি আমাদের Subject Review সিরিজের অংশ, একটি সম্পূর্ণ অর্থনীতি সাবজেক্ট রিভিউ। এই বিভাগে ঠিক কী পড়ানো হয়, বাংলাদেশে কোথায় পড়া যায়, আর পাশ করার পর সামনে কী কী পথ খোলা থাকে, সবটাই বিস্তারিত থাকছে নিচে।
অর্থনীতি সাবজেক্ট রিভিউ: সংক্ষেপে যা জানা দরকার
- পাঠ্যক্রম: মাইক্রো ও ম্যাক্রোইকোনমিক্স, ইকোনোমেট্রিক্স, উন্নয়ন অর্থনীতি, আন্তর্জাতিক বাণিজ্যসহ গাণিতিক ও পরিসংখ্যাননির্ভর কোর্স
- ভর্তি: বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা বা মানবিক, তিন বিভাগ থেকেই আবেদন করা যায়, তবে গণিতে ভিত্তি যত ভালো ততই সুবিধা
- কোথায় পড়বেন: ঢাকা, রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগরসহ প্রায় প্রতিটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়, আর অনেক বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ও
- ক্যারিয়ার: বাংলাদেশ ব্যাংক, BCS, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, উন্নয়ন সংস্থা ও NGO, ব্যাংকিং খাত, শিক্ষকতা
- কঠিন কিনা: শুরুর দিকে তত্ত্বীয়, পরের দিকে ক্রমেই গণিত-পরিসংখ্যাননির্ভর, গণিতে সহজ বোধ করলে পুরো বিষয়টাই সহজ লাগবে
ইতিহাসের পাতায় অর্থনীতি: ঢাকা থেকে নোবেল পর্যন্ত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে ১৯২১ সালে, আর অর্থনীতি ছিল তার একদম প্রথম দিনের বিভাগগুলোর একটা, তখন নাম ছিল “অর্থনীতি ও রাজনীতি বিভাগ” (Economics and Politics)। কলা অনুষদের প্রথম আটটা বিভাগের একটা হিসেবে, পদার্থবিজ্ঞান বা ইতিহাসের মতোই এটাও বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিত্তি তৈরি করা বিভাগগুলোর অন্যতম।
তবে বাংলাদেশের অর্থনীতি চর্চার সবচেয়ে বড় গল্পটা ঘটে ঢাকায় না, চট্টগ্রামে। ১৯৭৪ সালের দুর্ভিক্ষ তখন সদ্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগে যোগ দেওয়া এক অধ্যাপককে গভীরভাবে নাড়া দেয়, ক্লাসে পড়ানো তত্ত্ব আর জানালার বাইরের ক্ষুধার্ত বাস্তবতার মধ্যে বিশাল ফারাক দেখে তিনি অস্থির হয়ে ওঠেন। ১৯৭৬ সালে তিনি নিজের পকেট থেকে জোবরা গ্রামের কিছু মানুষকে ছোট ছোট ঋণ দেওয়া শুরু করেন, কোনো জামানত ছাড়াই, শুধু বিশ্বাসের ভিত্তিতে। এই ছোট পরীক্ষাটাই ১৯৮৩ সালে রূপ নেয় গ্রামীণ ব্যাংকে, আর ২০০৬ সালে সেই অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস আর গ্রামীণ ব্যাংক যৌথভাবে পান নোবেল শান্তি পুরস্কার, “নিচ থেকে অর্থনৈতিক ও সামাজিক উন্নয়ন গড়ে তোলার প্রচেষ্টার” জন্য। এটা অর্থনীতির নোবেল পুরস্কার ছিল না, শান্তি পুরস্কার ছিল, কিন্তু পুরস্কারের নামে যাই থাকুক, কাজটা ছিল শুদ্ধ অর্থনীতির, একটা তত্ত্বকে মাঠপর্যায়ে পরীক্ষা করে দেখানো।
অর্থনীতি বিভাগে ঠিক কী কী পড়ানো হয়?
স্কুল-কলেজের অর্থনীতি বইয়ে যেটুকু পড়ানো হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি তার চেয়ে অনেক গভীর আর গাণিতিক। চার বছরের প্রোগ্রামে সাধারণত যেসব মূল কোর্স পড়তে হয়:
- মাইক্রোইকোনমিক্স ও ম্যাক্রোইকোনমিক্স, শুরুর তত্ত্ব থেকে উচ্চতর স্তর পর্যন্ত
- ইকোনোমেট্রিক্স ও পরিসংখ্যান
- উন্নয়ন অর্থনীতি (Development Economics)
- আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ও অর্থনীতি
- পাবলিক ফাইন্যান্স
- মানি অ্যান্ড ব্যাংকিং
- ম্যাথমেটিক্যাল ইকোনমিক্স
- শ্রম অর্থনীতি (Labor Economics)
- পরিবেশ অর্থনীতি (Environmental Economics)
প্রথম এক-দুই বছর মূলত তত্ত্ব আর গ্রাফ-নির্ভর, কিন্তু পরের দিকে ইকোনোমেট্রিক্সের কোর্সগুলোতে সত্যিকারের ডেটা নিয়ে কাজ করতে হয়, রিগ্রেশন মডেল বানানো, পরিসংখ্যান সফটওয়্যার চালানো। শেষ বর্ষে অনেক বিভাগেই একটা গবেষণা প্রবন্ধ বা থিসিস লিখতে হয়, যেটা আসলে অর্থনীতিকে বাস্তব সমস্যায় প্রয়োগ করে দেখার প্রথম সুযোগ।

অর্থনীতিতে ভর্তি: কী কী যোগ্যতা লাগে?
বিবিএ-র মতোই অর্থনীতিতেও HSC-র তিন বিভাগ, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা ও মানবিক, থেকেই আবেদন করা যায়। তবে একটা পার্থক্য মাথায় রাখা ভালো, অর্থনীতির উচ্চতর কোর্সগুলো (বিশেষ করে ইকোনোমেট্রিক্স ও ম্যাথমেটিক্যাল ইকোনমিক্স) সরাসরি ক্যালকুলাস আর পরিসংখ্যানের উপর দাঁড়িয়ে থাকে, তাই HSC-তে গণিতে ভিত্তি যত মজবুত, বিশ্ববিদ্যালয়ে ততই সহজ লাগবে মানিয়ে নিতে, বিভাগ যেটাই হোক না কেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ভেদে ভর্তি পরীক্ষার ইউনিট, পদ্ধতি আর ন্যূনতম জিপিএ-র শর্ত আলাদা আলাদা হয়, আর প্রতি বছর কিছুটা বদলাতেও পারে। তাই ভর্তির আগে অবশ্যই সংশ্লিষ্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের হালনাগাদ ভর্তি বিজ্ঞপ্তিটা মন দিয়ে পড়ে নেবেন।
বাংলাদেশে কোথায় অর্থনীতি পড়া যায়?
প্রায় প্রতিটা পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই অর্থনীতি বিভাগ আছে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগ দেশের সবচেয়ে পুরোনো ও সুপরিচিতগুলোর একটা, এছাড়া রাজশাহী, চট্টগ্রাম, জাহাঙ্গীরনগর, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ প্রায় সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়েই এই বিভাগ চালু আছে। বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অব ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ (BIDS)-এর মতো গবেষণা প্রতিষ্ঠানও অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ের সাথে যৌথভাবে উচ্চতর গবেষণায় জড়িত থাকে।
বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতেও অর্থনীতি একটা প্রতিষ্ঠিত প্রোগ্রাম, প্রায়ই বিজনেস স্কুল বা সোশ্যাল সায়েন্স ফ্যাকাল্টির অধীনে পড়ানো হয়। কোন বিভাগের ফ্যাকাল্টি কেমন, গবেষণার সুযোগ কতটা, এসব নিয়ে ভর্তির আগে একটু খোঁজখবর নিয়ে নেওয়া ভালো।
অর্থনীতি ক্যারিয়ার: পড়াশোনা শেষে কী কী সুযোগ থাকে?
অর্থনীতি গ্র্যাজুয়েটদের জন্য সবচেয়ে আকর্ষণীয় গন্তব্যগুলোর একটা বাংলাদেশ ব্যাংক, দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যেখানে নিয়মিত সহকারী পরিচালক পদে নিয়োগ হয়, প্রতিবছর হাজার হাজার প্রার্থীর মধ্যে থেকে অল্প কয়েকজনকেই বেছে নেওয়া হয়। BCS-এর সাধারণ ক্যাডারগুলোতেও অর্থনীতির শিক্ষার্থীরা প্রতিযোগিতা করতে পারেন, বিশেষ করে প্রশাসন, কর ও অর্থনৈতিক ক্যাডারে অর্থনীতির পটভূমি সরাসরি কাজে লাগে।
গবেষণা প্রতিষ্ঠান আর উন্নয়ন খাতেও অর্থনীতির চাহিদা অনেক। BIDS বা পলিসি রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মতো প্রতিষ্ঠানে গবেষক হিসেবে, আর BRAC-এর মতো বড় NGO বা বিশ্বব্যাংক, UNDP, ADB-র মতো আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থার স্থানীয় অফিসে ইকোনমিস্ট বা রিসার্চ অ্যানালিস্ট হিসেবে কাজ করার সুযোগ নিয়মিতই তৈরি হয়। ব্যাংকিং খাতের সাধারণ চাকরিতেও অর্থনীতির গ্র্যাজুয়েটরা ভালো অবস্থানে থাকেন, কারণ ম্যাক্রোইকোনমিক পরিস্থিতি বোঝার দক্ষতাটা সরাসরি কাজে লাগে। যাঁরা পড়ানো ভালোবাসেন, তাঁদের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতার পথও খোলা।

বিদেশে উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার সুযোগ
অর্থনীতি বিশ্বজুড়েই একটা স্বীকৃত একাডেমিক বিষয়, তাই স্নাতক শেষে বিদেশে মাস্টার্স বা পিএইচডি করার পথটা তুলনামূলক ভালোভাবেই খোলা থাকে। ভালো পিএইচডি প্রোগ্রামগুলোর বড় অংশই টিচিং বা রিসার্চ অ্যাসিস্ট্যান্টশিপের মাধ্যমে ফান্ডেড হয়, তবে তার জন্য গণিত ও পরিসংখ্যানে শক্ত ভিত্তি আর ভালো GRE কোয়ান্টিটেটিভ স্কোর জরুরি। ফুলব্রাইট, DAAD (জার্মানি), ইরাসমাস মুন্ডুস (ইউরোপ), কমনওয়েলথ স্কলারশিপ কিংবা অস্ট্রেলিয়া অ্যাওয়ার্ডসের মতো বৃত্তির মাধ্যমেও ফান্ডেড পড়ার সুযোগ নিয়মিত তৈরি হয়। কোন বৃত্তিতে ঠিক কী শর্ত বা সময়সীমা, সেটা প্রতি বছর বদলায়, তাই আবেদনের আগে সংশ্লিষ্ট ওয়েবসাইট থেকে হালনাগাদ তথ্য যাচাই করে নেওয়াই ভালো।
উন্নয়ন অর্থনীতিতে আগ্রহীদের জন্য বিশ্বব্যাংক বা IMF-এর মতো প্রতিষ্ঠানের সাথে যুক্ত গবেষণা প্রোগ্রামগুলোও একটা বাস্তব সম্ভাবনার জায়গা, বিশেষ করে যাঁরা বাংলাদেশের মতো উন্নয়নশীল অর্থনীতি নিয়ে গবেষণা করতে চান।
অর্থনীতি কি কঠিন? আসল কথাটা বলা যাক
একটা প্রচলিত ধারণা আছে, অর্থনীতি মানে শুধু গ্রাফ আর তত্ত্ব মুখস্থ করা, খুব একটা কঠিন কিছু না। প্রথম বর্ষে এই ধারণাটা কিছুটা সত্যিও মনে হতে পারে। কিন্তু দ্বিতীয়-তৃতীয় বর্ষে ইকোনোমেট্রিক্স আর ম্যাথমেটিক্যাল ইকোনমিক্সের কোর্সগুলো শুরু হলেই বোঝা যায়, এটা আসলে ফলিত গণিতের খুব কাছাকাছি একটা বিষয়। ক্যালকুলাস, লিনিয়ার অ্যালজেব্রা আর পরিসংখ্যান নিয়মিত লাগে, আর একটা মডেলের পেছনের গাণিতিক যুক্তিটা না বুঝলে শুধু সূত্র মুখস্থ করে পার পাওয়া যায় না।
এই দ্বৈততাটাই আসলে অর্থনীতির সবচেয়ে আকর্ষণীয় দিক। একদিকে এটা মানুষ আর সমাজ নিয়ে কথা বলে, অন্যদিকে সেই কথাগুলোকে যাচাই করে কঠোর গাণিতিক মডেল দিয়ে। যাঁরা দুটো জগৎকেই ভালোবাসেন, গল্প বলার মতো তত্ত্ব আর সংখ্যার নিখুঁততা, তাঁদের জন্য এর চেয়ে ভালো মিশ্রণ কমই আছে।

প্রায়শই জিজ্ঞাসিত প্রশ্ন
অর্থনীতি পড়া কি সত্যিই কঠিন?
প্রথম বর্ষে তুলনামূলক তত্ত্বীয় ও সহজ মনে হলেও, পরের বর্ষগুলোতে ইকোনোমেট্রিক্স ও গাণিতিক অর্থনীতির কোর্সে চাপ বাড়ে। গণিতে ভিত্তি ভালো থাকলে পুরো বিষয়টাই অনেক সহজ লাগে।
অর্থনীতি পড়ে কী কী চাকরি পাওয়া যায়?
বাংলাদেশ ব্যাংক, BCS-এর বিভিন্ন ক্যাডার, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, NGO ও আন্তর্জাতিক উন্নয়ন সংস্থা, ব্যাংকিং খাত, আর বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকতা, পথ বেশ কয়েকটাই খোলা থাকে।
অর্থনীতি নাকি বিবিএ, কোনটা বেছে নেব?
বিবিএ শেখায় একটা প্রতিষ্ঠান কীভাবে চালাতে হয়, অর্থনীতি শেখায় পুরো বাজার বা একটা দেশ কীভাবে চলে। ব্যবস্থাপনা ও প্রয়োগে বেশি আগ্রহ থাকলে বিবিএ, নীতিনির্ধারণ ও তাত্ত্বিক বিশ্লেষণে বেশি আগ্রহ থাকলে অর্থনীতি স্বাভাবিক পছন্দ হতে পারে।
অর্থনীতিতে ভর্তি হতে গণিত কতটা গুরুত্বপূর্ণ?
খুবই গুরুত্বপূর্ণ, বিশেষ করে উচ্চতর কোর্সগুলোর জন্য। HSC-তে গণিতে ভালো ভিত্তি থাকলে ইকোনোমেট্রিক্স ও ম্যাথমেটিক্যাল ইকোনমিক্সের মতো কোর্সে অনেক সুবিধা হয়।
মুহাম্মদ ইউনূস কি অর্থনীতিতে নোবেল পেয়েছিলেন?
না, এটা একটা সাধারণ ভুল ধারণা। তিনি ও গ্রামীণ ব্যাংক ২০০৬ সালে যৌথভাবে পেয়েছিলেন নোবেল শান্তি পুরস্কার, অর্থনীতিতে নোবেল স্মারক পুরস্কার না। তবে তাঁর কাজটা ছিল শুদ্ধ অর্থনীতির, ক্ষুদ্রঋণের তত্ত্বকে বাস্তবে প্রয়োগ করে দেখানো।
অর্থনীতি পড়ে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ কেমন?
বেশ ভালো। ফুলব্রাইট, DAAD, ইরাসমাস মুন্ডুস, কমনওয়েলথের মতো বৃত্তির মাধ্যমে ফান্ডেড মাস্টার্স বা পিএইচডি করার সুযোগ নিয়মিতই তৈরি হয়, তবে ভালো গণিত ও পরিসংখ্যানের ভিত্তি থাকা জরুরি।
একটা তত্ত্ব যদি বাস্তবে কাজ না করে, সেটা বদলে ফেলাই বুদ্ধিমানের কাজ, তত্ত্বকে ঠিক ধরে নিয়ে বাস্তবতাকে দোষ দেওয়া না। জোবরা গ্রামের সেই ছোট পরীক্ষাটা এই কথারই সবচেয়ে বড় প্রমাণ।
আমাদের Subject Review সিরিজের অন্য পর্বগুলোও ঘুরে দেখতে পারেন, আর কোন বিষয় নিয়ে পরের লেখাটা চান, কমেন্টে জানাতে ভুলবেন না।

